ভাষা ভাষা
নির্দেশনামূলক উপকরণসমূহ
الدروس المهمة لعامة الأمة
رسالة مترجمة إلى اللغة البنغالية، وهذه الرسالة على صغر حجمها جمع المؤلف رحمه الل...
رسالة في الدماء الطبيعية للنساء
كتاب رِسَالَةٍ فِي الدِّمَاءِ الطَّبِيعِيَّةِ لِلنِّسَاءِ للشيخ العلامة محمد بن...
কুরআনের নির্বাচিত আয়াতসমূহ
হে মানুষ! তোমরা তোমাদের সেই রবেরই ‘ইবাদাত করো যিনি তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাকওয়ার অধিকারী হও।(বাকারাহঃ21)
সূরা আল- ইসরা নিশ্চয়ই এ কুরআন হেদায়াত করে সে পথের দিকে যা আকওয়াম (সরল, সুদৃঢ়) এবং সৎকর্মপরায়ণ মুমিনদেরকে সুসংবাদ দেয় যে, তাদের জন্য রয়েছে মহাপুরস্কার।
বলুন, -'হে রাসূল-আমার সেই বান্দাগণকে!যারা নিজেদের উপর(বহুধরনের পাপ করে) সীমালঙ্ঘন করেছ ,আল্লাহর অনুগ্রহ হতে নিরাশ হয়ো না; নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করে দেবেন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।'(যুমারঃ53)
নিশ্চয়ই আল্লাহ্ আদল (ন্যায়পরায়ণতা), ইহসান (সদাচরণ) ও আত্মীয়-স্বজনকে দানের নির্দেশ দেন এবং তিনি অশ্লীলতা, যত অপছন্দনিয় ও সীমালঙ্ঘন থেকে নিষেধ করেন; তিনি তোমাদেরকে উপদেশ দেন যাতে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ কর।(নাহালঃ90)
নির্বাচিত হাদীসে নববী
নু‘মান ইবন বাশীর থেকে মারফূ হিসেবে বর্ণিত, “পারস্পরিক দয়া, ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে মুমিনদের উদাহরণ একটি দেহের মতো। যখন শরীরের একটি অঙ্গ রোগাক্রান্ত হয়, তখন শরীরের সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রাত্রি জাগরণ এবং জ্বরে অংশ নেয়।” [সহীহ] - [মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।]
আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মরফূ‘ হিসেবে বর্ণিত, “তোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য সেটাই পছন্দ করবে, যা তার নিজের জন্য পছন্দ করে।” [সহীহ] - [মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।]
আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে মারফু হিসেবে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “মু’মিন পুরুষ ও নারীর জান, সন্তান-সন্ততি ও তার ধনে (বিপদ-আপদ দ্বারা) পরীক্ষা হতে থাকে, পরিশেষে সে আল্লাহ তা‘আলার সঙ্গে নিষ্পাপ হয়ে সাক্ষাৎ করবে।” [হাসান, সহীহ] - [এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।]
তারিক ইবনু আশয়াম আল-আশজায়ী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “যে ব্যক্তি বলল: আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই, আর আল্লাহ ছাড়া অন্যান্য যা কিছুর ইবাদত করা হয় তা অস্বীকার করল, তার জান ও মাল হারাম হয়ে গেল। আর তার হিসাব-নিকাশ আল্লাহর নিকট।” [সহীহ]-[এটা মুসলিম বর্ণনা করেছেন।]-[সহীহ মুসলিম-২৩]




